24 August, 2019

টুইটার কি, কেনই বা আপনি টুইটারে একাউন্ট খুলবেন- টুইটারের ব্যবহার নিয়ে মেগা টিউন।

Shahin ALamবর্তমান জেনারেশনের বেশিরভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীই সোস্যাল নেটওয়্যার্কের জন্যই ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন। এসময়ের সেরা সোস্যাল নেটওয়্যার্কের মধ্যে ফেসবুকের পরই টুইটারের অবস্থান। যদিও বাংলাদেশের পরিপেক্ষিতে সেটা বলা সম্ভব নয়। আমার মনে হয় বাংলাদেশে নিয়মিত টুইটার ব্যবহারকারীর সংখ্যা দশ হাজারও হবে না। কিন্তু ইউএসএ, ইউকে বা (এমনকি) ভারতেও অন্যতম জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম হল টুইটার। টুইটার কিঃ টুইটার হল একটি Micro-blogging সাইট। যেখানে একজন ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ ১৪০ বর্ণের মধ্যে পুস্ট লিখেন যা Tweet হিদেবে পরিচিত। এর সাথে এটাচ করে ছবি বা ভিডিও পুস্ট করা যায়। টুইটার যাত্রা শুরু করে 2006 সালে। অন্য কারো টুইট নিজের প্রোফাইলে সেয়ার করাকে Retweet বলে। টুইটারে মেসেজ দেয়াকে সংক্ষেপে DM (Direct message) বলে।

এর প্রয়োজনিয়তা কিঃ টুইটারের মাধ্যমে সবচাইতে তারাতাড়ি খবর চড়িয়ে পরে। এবং সবার আগে যেকোন খবর পাওয়া যায়। বেশিরভাগ সেলিব্রিটিই টুইট করে তাদের প্রোগ্রাম বা ব্যাক্তিগত তথ্য জানায়। হ্যাসটাগ ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ের উপর খবর জানা যায়। টুইটারের সার্চ অপশন ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা এ বিষয়ে কি কথা বলছে তা জানা যায়। যেমন আপনি আপনার এলাকার নাম লিখে সার্চ করলেন, সাথে সাথে পেয়ে যাবেন আপনার এলাকা সম্পর্কে কে কি বলছে।

কেন এটি জনপ্রিয়ঃ টুইটারের জনপ্রিয়তার অনেক কারন আছে। এটার মাধ্যমে সব খবরাখবর জানা যায়। বেশিরভাগ সেলিব্রিটিই টুইটার ইউজ করে, ফলে তাদের ব্যাক্তিগত তথ্য বা প্রোগ্রাম সম্পর্কে অতি সহজেই জানা যায়। টুইটারে রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গদের অন্যতম প্রিয় জায়গা। USA, UK এবং অন্যান্য দেশের সরকারী লোক টুইটার ব্যবহার করে তাদের কাজ তুলে ধরেন। আমার মতে রাজনৈতিক ব্যাক্তি হয়ে টুইটার একাউন্ট না থাকলে আপনি রাজনিতিই চিনেন না। টুইটার ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি যেকোন ঘটনায় যোগ দিতে পারেন। টুইটারে আপনার প্রিয় ব্যাক্তি বা ব্রান্ডের কাছ থেকে পেতেও পারেন মেসেজের রিপ্লাই বা রিটুইট। যেমন আমি UN একটি বেরিফাইড একাউন্ট থেকে কয়েকবার রিটুইট পেয়েছি এবং আলজাজিরার একটি টিভি অনুস্টানে (AJstream) আমার টুইট দেখিয়েছে। আসল কথা ইউজাররা এটি ব্যবহার করে মজা করার জন্য, যদি আপনার ইংরেজির উপর ভাল দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি টুইটারে অনেক মজা করতে পারবেন। হ্যাসটাগ গুলো প্রায়ই হাস্যকর হয়।

এটাতে স্পামের পরিমান কতঃ টুইটার অধিক পরিচিত authentic ইউজার থাকায়। টুইটারেও স্পাম ইউজার আছে। তবে তা সহজেই সনাক্ত করা যায় এবং স্পামিংয়ের ফলে তেমন কোন সমস্যা হয় না।

ফেসবুক না টুইটারঃ

টুইটার কি, কেনই বা আপনি টুইটারে একাউন্ট খুলবেন- টুইটারের ব্যবহার নিয়ে মেগা টিউন। 1

অনেকেই বলবেন যে ফেসবুকই যখন ইউজ করি তখন টুইটার কেন ব্যবহার করব? ফেসবুক ও টুইটার সোস্যাল নেটওয়্যার্ক হলেও এক না। ফেসবুক হল নিজেকে বন্ধুদের সাথে কানেক্ট রাখা এবং একটি নির্দিষ্ট আওতায় থাকা। কিন্তু টুইটার হল নিজেকে প্রকাশ করার মাধ্যম। ফেসবুকের ফাংসন সমুহ ব্যপক কিন্তু টুইটারে তা কম এবং ছিমছাম। ফেসবুকের মাধ্যমে সবার (বন্ধুদের, খবরের, সেলিব্রিটিদের খবরের ইত্যাদি) আপডেট পাওয়া সম্ভব হয় না কিন্তু টুইটারে পুস্টগুলো ছোট হওয়ায় তা সহজেই পাওয়া যায় ।

আপনি কেন ব্যবহার করবেনঃ টুইটার ব্যবহার করার অনেক কারন আছে। প্রথমত আপনি যদি ফেসবুকের বিকল্প খুজেন তাহলে আপনি টুইটার ব্যবহার করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি যদি ইংরেজী শিখতে চান তাহলে Twitter একটি ভাল প্লাটফরম। আর আপনার ইংরেজীতে দক্ষতা ভাল থাকলে আপনি পাবেন লাইফের কিছু সেরা Jokes সমুহ। আপনি যদি নিজেকে Extraordinary বা Royal ভাবেন সেক্ষেত্রেও আপনি টুইটার ব্যবহার করতে পারেন। সর্বোপরি টুইটার দ্বারা আপনার একটি ঠিকানা তৈরি হয় যেখানে আপনি আপনার যাবতীয় খবরা-খবর সেয়ার করতে পারেন।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.