20 September, 2019

অনলাইনে নিরাপদ থাকতে যে ৫ টি নিয়ম মেনে চলবেন। জেনে নিন

WELCOME TO BD WOW

অনলাইনে এখন নিরাপত্তার বিষয়টি অনেকের কাছেই উপেক্ষিত থাকছে। যদিও এতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেমন হারাতে হতে পারে তেমন নানা ধরনের বিপদেও পড়তে হতে পারে।
তবে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে এ ঝামেলা কাটানো সম্ভব। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু উপায়।
১. পাসওয়ার্ড সাবধান
অনলাইনে যতগুলো অ্যাকাউন্ট রয়েছে সবগুলোতে নতুন ও কঠিন পাসওয়ার্ড দিন। এমনিতেও স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড তিন বা ছয় মাস পর পর পরিবর্তন করা উচিত। নিরাপত্তার কোডটিকে আরো জটিল ও কুটিল করে তৈরি করুন। কমপক্ষে ১২ থেকে ১৫ ডিজিটের পাসওয়ার্ড বানিয়ে নিন যেখানে ছোট ও বড় হাতের অক্ষরের ব্যবহার, সংখ্যা এবং প্রতীকের মিশেল থাকবে। অভিধানে রয়েছে এমন শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। তবে শব্দ ব্যবহার করলে তা উল্টে-পাল্টে ফেলুন। পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলার কারণে সব অ্যাকাউন্টে একটিমাত্র পাসওয়ার্ড ব্যবহার সাধারণ বিষয়। কিন্তু একটির পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিতে পারলে বাকিগুলোতেও তা ব্যবহার করবে হ্যাকাররা। এবার বুঝে দেখুন, আপনার কী অবস্থা জানাবে। তাই ঝামেলা মনে হলেও বিপদের হাত থেকে বাঁচতে ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
২. টু-ফ্যাক্টর আইডেন্টিফিকেশন
আপনার অনলাইন নিরাপত্তা বাড়াবে টু-ফ্যাক্টর আইডেন্টিফিকেশন। এতে করে হ্যাকারদের পক্ষে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা আরো কঠিন হয়ে পড়বে। গুগল, ফেসবুক এবং টুইটার অ্যাকাউন্টে এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
৩. পরিত্যক্ত অ্যাকাউন্ট ডিলিট করুন
আপনার কি এমন কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকে, যা একেবারেই ব্যবহার করেন না? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের অ্যাকাউন্ট থাকলে তা ডিলিট করুন। অন্যথায় আপনার দুর্বলতার সুযোগে এ অ্যাকাউন্টের দখল নিতে পারে হ্যাকাররা। আর এতে কত যে বিপদ হতে পারে তা আপনি ভাবতেও পারবেন না।
৩. পরিত্যক্ত অ্যাকাউন্ট ডিলিট করুন
আপনার কি এমন কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকে, যা একেবারেই ব্যবহার করেন না? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের অ্যাকাউন্ট থাকলে তা ডিলিট করুন। অন্যথায় আপনার দুর্বলতার সুযোগে এ অ্যাকাউন্টের দখল নিতে পারে হ্যাকাররা। আর এতে কত যে বিপদ হতে পারে তা আপনি ভাবতেও পারবেন না।
৪. তথ্য চুরি হয়েছে কি না, জেনে নিন
কিছুদিন আগেই ইয়াহু মেইল থেকে ব্যবহারকারীদের বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি হয়েছে। আপনার সব অনলাইন অ্যাকাউন্টের ওপর নজর রাখুন। এ ধরনের কোনো তথ্য চুরির ঘটনা ঘটলে ব্যক্তিগত তথ্য সব পাল্টে নিন। অন্যথায় তা আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে।
৫. মেসেজ এনক্রিপ্ট করুন
আপনার হয়ত জানা আছে, মেসেজ আদান-প্রদানের এক পর্যায়ে তা চুরি হতে পারে। আর এ চুরি যেন না হয় সেজন্য এনক্রিপ্টেড মেসেজিং ব্যবস্থা ব্যবহার করুন। এতে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরির হাত থেকে রেহাই পাবে। এখন বেশ কিছু মেসেঞ্জার এ পদ্ধতি ব্যবহার করে। আপনার মেসেঞ্জার যদি এনক্রিপটেড পদ্ধতি ব্যবহার না করে তাহলে মেসেঞ্জার পাল্টে নিন।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.