13 September, 2019
ফটোশপের কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস জেনে নিন

ফটোশপের কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস জেনে নিন

যেকোনো ছবি এডিটিংয়ের জন্য সবসময়ই ফটোশপ প্রশংসিত হয়ে এসেছে। এর বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার জন্য একজন ইমেজ এডিটরকে অনেক স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে। ছবির গুণগত মান বজায় রেখে ফটোশপের বহুমুখী ব্যবহার ছবিকে ভিন্নমাত্রা এনে দিতে পারে। ফটোশপের Polygon Tool ছবি এডিট করার কাজকে অনেক সহজ করেছে বলেই বিশ্বে ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার বলতে সবাই এডোবি ফটোশপকেই বোঝে। কিন্তু এই সফটওয়্যারটির পরিপূর্ণ ব্যবহার না জানার কারণে অনেক ইমেজ এডিটরকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আপাত দৃষ্টিতে এসব ভুল চোখে ধরা না পড়লেও প্রফেশনাল ইমেজ এডিটরদের কাছে এগুলো ক্ষমার অযোগ্য।

এই ব্লগটিতে এডোবি ফটোশপে ইমেজ এডিট করার সময় সংঘটিত কিছু ভুল সম্পর্কে জানবো, যেগুলো আমরা প্রতিনিয়তই ছবি এডিট করতে গিয়ে করে থাকি। তাহলে আসুন জেনে নিই।

সিলেকশনকে দিন মসৃণতাঃ বেশ কিছুদিন আগে একটি Billboard-এ একটি সাবানের বিজ্ঞাপনে ভেজা চুলে মডেলিং করেছেন একজন মডেল। মূল ছবি থেকে মডেলকে Extract করে অন্য Background এ বসানো হয়েছিল সেই Billboard-এর ছবিতে। কিন্তু ভেজা চুল Background-এর সাথে না মেলাতে বোঝা যাচ্ছিল ছবিটি এডিট করা হয়েছে। এ ধরনের সমস্যা আমাদের প্রায়ই মোকাবেলা করতে হয়। দুটি উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। প্রথমটি সিলেকশনের সময় feathering করা। আমরা Polygonal Lasso Tool বা Pen Tool যেটা দিয়েই সিলেকশন করি না কেন, সিলেকশন পুরোপুরি মসৃণ হয় না। কোনো কোনো অংশে কোণা থেকে যায়। এর জন্য সিলেকশন শেষ হলে feathering করুন। এটি করতে Tab থেকে Select >Feather-এ ক্লিক করে এটি ২ বা ৩ পিক্সেলে করলে সিলেকশনে কোনো ভাঁজ নজরে আসবে না। Feather করার পরিমাণ নির্ভর করবে ছবিটি কত রেজ্যুলেশনের তার ওপর। এটি ৪ পিক্সেলের বেশি করার প্রয়োজন নেই। বেশি দিলে কিছু বাইরের অংশ সিলেকশনের মধ্যে চলে আসতে পারে। তাই পরিমিত করুন।

দ্বিতীয় ধাপ হলো ছবিকে Extract করে যেই Backgroun-এ বসাবেন সেই Backgroun-এর সাথে এই সিলেক্টেড অংশটুকুকে মিলিয়ে দেয়া। এর জন্য Toolbox থেকে Blur করার Tool দিয়ে Paste করা অংশটির Edge গুলো মসৃণ করুন। লক্ষ রাখবেন, যেনো সঠিক Layer সিলেক্টেড অবস্থায় থাকে।

Pen সিলেকশনকে প্রাধান্য দিনঃ প্রায় সবাই সিলেকশনের জন্য Pen সিলেকশনকে এড়িয়ে চলেন। Lasso Tool-এর সাহায্যে সিলেকশন তুলনামূলক সহজ, কিন্তু এর সাহায্যে সিলেকশন কখনোই ততটা মসৃণ করা সম্ভব নয় যতটা Pen সিলেকশনের মাধ্যমে করা সম্ভব। Pen সিলেকশনে অত্যন্তে বিজ্ঞানসম্মতভাবে Vector ব্যবহার করা হয়েছে। জ্যামিতিকভাবে সিলেকশনটি জটিল হলেও একটু চর্চার মাধ্যমে অনেক সহজভাবে নিয়ে আসা সম্ভব। পেন সিলেকশনের সময় লক্ষ রাখতে হয় এই সিলেকশনের দূরত্ব। পেন টুলের মাধ্যমে দুটি বিন্দু নির্দিষ্ট করতে হয়, যাতে একটি সরলরেখার মতো তৈরি হয়। এরপর তৃতীয় আরেকটি বিন্দু নিয়ে সেটিকে প্রয়োজনমতো Curve করালে প্রথম দুটি বিন্দুর মাঝের সরলরেখাটি বাঁক নেবে। এভাবে পরবর্তী অংশগুলো একইভাবে বিন্দু দিয়ে তৈরি করে সিলেকশন পূর্ণ করতে হবে। প্রথমে কষ্টসাধ্য হলেও এর উপকারিতা অনেক তা ব্যবহার করলেই বুঝা যাবে।

দৃষ্টিকোণ সম্পর্কিত সমস্যা : একটি ছবি এডিট করার আগে কিছু বিষয় লক্ষ করতে হবে। যিনি ছবিটি তুলেছেন, তার Camera Position ও View Angle কেমন ছিল, এককথায় একে Perspective বলা হয়। ছবি এডিট করার সময় Perspective look-কে প্রাধান্য দিতে হবে। কোনো ছবিতে আলাদা কোনো Object যোগ করতে চাইলে সেই Object টি যেন একই Perspective-এ ছবি তোলা হয়ে থাকে, তার দিকে লক্ষ রাখতে হবে। ধরুন, একটি ছবি 28 mm লেন্সের সাহায্যে তোলা হয়েছে। এর সাথে যদি 300mm লেন্সের তোলা কোনো ছবি Adjust করতে দেয়া হয়, তাহলে সেটি কখনই মানানসই হবে না। ঠিক একইভাবে কোনো একটি Landscape ছবি যে Angle এ তোলা হয়ে থাকে, সেটিতে অন্য কোনো Object যোগ করতে চাইলে প্রায় একই Angle এ তোলা ছবি যোগ করতে পারেন, অন্যথায় দৃষ্টিকোণ সম্পর্কিত সমস্যায় পড়বেন। এ ধরনের কাজের ক্ষেত্রে এডিট করার সময় Object এর আকৃতির ওপরও লক্ষ রাখা উচিত, যাতে অসামঞ্জস্যতা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

রংয়ের সঠিক ব্যবহার : এডোবি ফটোশপের কালার Effect অনেক সুন্দরভাবে করা সম্ভব। এর জন্য RGB কালার Mode ব্যবহার না করে CMYK ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। বিশ্বের যত রং আছে, তা এই চারটি রংয়ের বিভিন্ন কম্বিনেশনে পাওয়া সম্ভব। এখানে C-Cyan, M-Magenda, Y-Yellow, K-Black বোঝানো হয়। এখনকার প্রিন্টিং জগতে এই CMYK ব্যবহার হয়ে আসছে। এখন কোনো পারফেক্ট কালার পেতে হলে পারফেক্ট কম্বিনেশন করে নিতে হবে। তা না হলে প্রকৃত রং পাওয়া যাবে না। ধরুন আপনি পরিপূর্ণ কালো রং নিয়ে কাজ করতে চাইছেন, কিন্তু এর জন্য CMYK-তে শুধু K-এর মান বাড়ালে চলবে না। বাকিগুলোর মান একটি নির্দিষ্ট পর্যায় নিয়ে গেলে গাঢ় কালো রং পেতে পারেন। আপনি পরিক্ষা করে দেখলে স্পষ্ট বুঝতে পারবেন K-100 দেবার পরও পুরো কালো রং আসবেনা। এটি ধূসর একটি রং প্রদর্শন করছে। প্রকৃত কালো রংয়ের জন্য Cyan = 90, Magenda = 60 এবং Yellow-এর মান 30 রাখতে হবে। তবেই K100-এর সাথে মিশ্রিত হয়ে একটি পরিপূর্ণ কালো রং দেখাতে সক্ষম হবে। ঠিক একইভাবে বাকি রংও শুধু একটির অংশের ওপর নির্ভর করে না।
এবার আসা যাক রংধনু প্রসঙ্গে। অনেকেই Gradient Tool ব্যবহার করে বিভিন্ন কালারের সুন্দর Background তৈরি করেন। তবে অনেক চেষ্টা করেও রংধনুর মতো রংয়ের Gradient তৈরি করতে পারেন না। এটি একটু কৌশলী ব্যাপার। শুধু রং পছন্দ করলেই হবে না। এর কম্বিনেশন জানতে হবে। Gradient সবসময় হালকা রং থেকে গাঢ় রংয়ের তৈরি করুন। তবে যেখানে Gradient প্রয়োগ করবেন, তার Subject এবং Background এর ওপর নির্ভর করবে কী ধরনের Gradient প্রয়োগ করা হবে। Gradient এর রং পছন্দ করার সময় একই রংয়ের গাঢ় অংশ এবং হালকা অংশ নির্বাচন করুন। অতিরিক্ত রংয়ের ভিন্নতা দৃষ্টিকটু হয়। তাই রং নির্বাচনে Contrastive রং একত্রে না দেয়াই ভালো।

শর্টকাট কী ব্যবহারঃ এডোবি ফটোশপে কাজ করার সময় শর্টকাট কী অনেকভাবে সহায়তা করে। প্রতিটি কাজের কিছু শর্টকাট কী থাকে, যাতে তাৎক্ষণিকভাবে সে Tool ব্যবহার করা সম্ভব হয়। বিভিন্ন Tool বা Polygon ব্যবহারের সময় শর্টকাট কী অনেক সহায়তা করে। যেমন ছবি বড় করে কাজ করার সময় তা Hand Tool এর মাধ্যমে সরাতে হয়। স্পেস বার চেপে এই কাজটি সহজেই করা সম্ভব, যা অন্য উপায়ে ঝামেলা অনেক বেশি।

ছবিতে লেখার ব্যবহারঃ বরাবরই এডোবি ফটোশপে বিভিন্ন ফন্ট ও স্টাইল রয়েছে, যা লেখার স্টাইল ও সৌন্দর্য বাড়াতে সহায়তা করে। বিভিন্ন Text Effect ব্যবহার করার জন্য ফটোশপে অনেক Polygon ব্যবহার হয়। তবে ডিজাইনিং এবং লেখার জন্য Vector ভিত্তিক প্রোগ্রাম এডোবি ফটোশপ থেকে অনেক উন্নত সেবা দিতে পারে। যেমন- Cork Express, Adobe Illustrator এসব প্রোগ্রামে Text ছবির Body তে অনেক স্পষ্টতা নিয়ে আসে, যা ফটোশপ পারে না। এর মূল কারণ Vector ভিত্তিক টাইপিং। ফটোশপ সাধারণত Restore ভিত্তিক প্রোগ্রাম। এর জন্য যদি ছবির বডিতে স্পষ্ট নিখুঁত লেখার প্রয়োজন পড়ে তাহলে তা Restore ভিত্তিক প্রোগ্রামে না করে Vector ভিত্তিক প্রোগ্রামে তৈরি করতে হবে। এজন্য বিভিন্ন Button বা Logo তৈরি করতে প্রথমে Vector ভিত্তিক প্রোগ্রামের সহায়তা নিতে হবে। লোগো বা আইকন তৈরি করতে হলে অনেক ক্ষুদ্র জায়গায় স্পষ্ট অক্ষর দিয়ে তৈরি করতে হবে। যাতে আইকন ছোট হলেও তার ভেতরের প্রতিটি অংশ স্পষ্ট হয়। আর এ কারণেই মুদ্রণ শিল্পে Vector ভিত্তিক প্রোগ্রামের চাহিদা অনেক।

আলোর উৎসর প্রতি নজর দেয়া : কোনো ছবিতে আলাদা কোনো Object যোগ করার সময় লক্ষ করতে হবে মূল ছবির আলোর উৎস কোথা থেকে আসছে। সেই অনুযায়ী Object নির্বাচন করতে হবে। Background এর সাথে মিলতে হলে আলোর উৎস প্রায় একইরকম হতে হবে। ব্যাকগ্রাউন্ড Background এর সাথে না মেলাতে পারলে Filter Tab থেকে Lighing Filter প্রয়োগ করেও মিলিয়ে নিতে পারেন। যদি আলোর উৎস Object এর পেছন থেকে এসে থাকে, তবে Object এর Light Control করে নিতে হবে। এটি Level Control এর মাধ্যমে করা সম্ভব। Object এর Control ও Contrast Controlএর মাধ্যমে এর Lighting নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

Layer ও Masking এর ব্যবহারঃ  

একটি ছবি এডিট করার জন্য অনেক ধাপ পেরোতে হয়। প্রতিটি সুনির্দিষ্ট ধাপের জন্য আলাদা আলাদা Layer ও Folder তৈরি করতে পারেন। যাতে করে ওই অংশটুকুসহ এবং ছাড়া এডিট করা ছবি দেখতে পারে এবং এর সাথে Masking এর সাহায্য নিতে পারেন। Masking এমন একটি সুবিধা, যার মাধ্যমে খুব সহজেই কোনো নির্দিষ্ট Layer এ এডিট করার মুহূর্তগুলো Unmask করে দেখা সম্ভব। বিশেষত কোনো নির্দিষ্ট অংশ এডিট করা হলে এডিটের সময়ই Unmask করা সম্ভব, যা Undo Option থেকে অনেক উন্নত।

সাদা-কালো করার প্রক্রিইয়াঃ একটি কালার ছবিকে সাদা-কালো করে দেবার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। প্রায় সবাই Desaturate-এর সাহায্যে রঙিন ছবিকে সাদা-কালোতে রূপান্তের করে থাকেন। কিন্তু একটি রঙিন ছবিকে Desaturate করলে তা ঠিকই সাদা-কালো হয়, কিন্তু এর Contrast ঠিকমতো থাকে না। একটু ফিকে হয়ে যায়। বিভিন্ন কালারের Depth সঠিকভাবে ছবিতে ফুটে ওঠে না। এর জন্য প্রয়োজন Moocromic Conversion. এখনে অনেক Photographer সাদা-কালোতে কাজ করেন। কিন্তু ডিজিটাল ক্যামেরা আসাতে রঙিন ছবির বদলে সাদা-কালোর পরিমাণ কমে গেছে। তারা প্রায়ই ছবি রঙিন তুলে সাদা-কালো করে নিতে চান। কারণ সাদা-কালো ছবিতে যে Contrastive ব্যাপার তুলে ধরা যায়, তা অন্য কিছুতে পারা যায় না। তারা Monocromic করে দেখতে পারেন এবং সেই সাদা-কালো Film এর মতোই Contrastive ছবি পাবেন। Monocromic করতে Image >Adjustments >Channel mixer-এ ক্লিক করুন। এরপর Monocrome Checkbox এ টিক চিহ্ন দিয়ে নিন। স্পষ্টতই বুঝতে পারবেন Desaturate-এর তুলনায় মনোক্রম কতটা Contrastive Black & White Conversion করতে পারে।

গ্রিডলাইনের পরিপূর্ণ ব্যবহারঃ আমাদের চোখ অনেক সময় পুরোপুরি Horizontal এবং Verticale অবস্থান নির্ণয় করতে পারে না। তাই কখনো কখনো ছবিতে কোনো Object বা Gradient বসানোর সময় সঠিক অবস্থানে তা বসানো সম্ভব হয় না। এই সমস্যার চমৎকার সমাধান হলো Greed Line এর ব্যবহার। এই সহজ Option ব্যবহারে কোনো Perspective লুক বাদ যাবে না। ছবিতে অন্যান্য বস্তুর অবস্থান অনুযায়ী Object বসানোর জন্য Geed Line এর সাহায্য নিতে পারেন। Geed Line সাধারণত একটি Graph Paper এর মতো অসংখ্য Greed দেখাবে, যার X এবং Y অক্ষ থাকবে। বড় ঘরের পাশাপাশি অনেক হালকা Greed থাকে, যা ছোট ছোট চতুর্ভূজ তৈরি করে। এতে অনেক সহজে Element স্থাপন করা সম্ভব হয়। ছবি বাঁকা থাকলেও এর মাধ্যমে সহজেই চোখে পড়বে। সে ক্ষেত্রে Free transform-এর মাধ্যমে ছবিটিকে সঠিক শেপে নিয়ে আসতে পারেন। কোনো ছবিতে Greed Line প্রদর্শনের জন্য View Tab থেকে Show >Grid-এ ক্লিক করুন। এটি অনেক সময় অনেক কাজে লাগে, যা অন্য কোনো Option এর সাহায্যে করা যায় না। কাজ শেষে Greed Invisible করে দিলে পুরো ছবিটি আগের মতো দেখা যাবে।

ছবি প্রিন্টিংয়ে Dpi র ব্যবহারঃ আমরা সাধারণত মনিটরের স্ক্রিনে যে ছবি দেখি তা হয়ে থাকে ৭২ Dpi এর। একটি ছবি দেখার সময় এর থেকে বেশি Dpi এর প্রয়োজন হয় না। তাই ছবি এডিট করার সময় সাধারণত ৭২ Dpi ব্যবহার করা হয়। Dpi বলতে Dot Per Inch বোঝায়। অর্থাৎ একটি ছবিতে কতটুকু ঘনত্বে পিক্সেল থাকবে তা Dpi থেকে বোঝা যায়। ছবি যখন প্রিন্ট করা হয়, তখন প্রিন্টার তার ক্ষমতা অনুযায়ী Dpi তে প্রিন্ট করে। তাই সূক্ষ্ম প্রিন্ট পাবার জন্য অন্তত ৩০০ Dpi এর ছবি হওয়া বাঞ্ছনীয়। মনিটরে সাধারণত ৭২ Dpi এবং ৩০০ Dpi ছবির মাঝে পার্থক্য বোঝা যায় না। কিন্তু প্রিন্টিংয়ের ক্ষেত্রে ৭২ Dpi অনেক খারাপ মানের আউটপুট দেয়।

এডোবি ফটোশপ এমন একটি সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে অনেক গ্রাফিক এডিট করা সম্ভব। এটি প্রফেশনালদের হাতে অনেক সূক্ষ্ম কাজের আউটপুট দেয় আর এর ব্যবহার না জানলে তা আশানুরূপ আউটপুট দেয় না। তাই এসব ছোটখাটো ট্রিকস খাটালে ফটোশপে আরো সহজে নির্ভুলভাবে ছবি এডিট করা সম্ভব হবে।